Skip to content
Home » Blog » মাদকদ্রব্য দিয়ে শ্বশুরকে ফাঁসাতে গিয়ে কারাগারে জামাতা

মাদকদ্রব্য দিয়ে শ্বশুরকে ফাঁসাতে গিয়ে কারাগারে জামাতা

কুষ্টিয়ায় মাদকাসক্ত স্বামীকে তালাকের নোটিশ পাঠান স্ত্রী। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বামী তাঁর শ্বশুরকে শাস্তি দিতে শ্বশুরবাড়িতে কৌশলে মাদক রেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মাদক উদ্ধার করলেও ওই ব্যক্তির ফোন করার বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশ তদন্তে জানতে পারে, তালাকের প্রতিশোধ নিতেই জামাতা মাদকের নাটকের সাজিয়েছিলেন। সোমবার মিরপুর উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের কুন্টিরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

গ্রেপ্তার হাবিবুল ইসলাম (৩২) মিরপুর উপজেলার মাঝিহাট গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেছে।

হাবিবুলের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কয়েক বছর আগে কুন্টিরচর গ্রামের ফারুক হোসেনের মেয়ের সঙ্গে হাবিবুলের বিয়ে হয়। পরে মেয়ের পরিবার জানতে পারে, জামাতা মাদকাসক্ত। সংসারে অশান্তি ও ঝগড়া লেগে থাকত। সম্প্রতি হাবিবুলের কাছে তালাকের নোটিশ পাঠান তাঁর স্ত্রী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন হাবিবুল। প্রতিশোধ নিতে রোববার রাতে শ্বশুরবাড়ির বারান্দার গ্রিল কেটে ভেতরে মাদক রেখে দেন এবং জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করে মাদকের বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে মিরপুর থানার পুলিশ ফারুক হোসেনের বাড়ি থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। হাবিবুলের দেওয়া মাদকের তথ্যে পুলিশের সন্দেহ হয়। এ ছাড়া ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ তালাকের বিষয়টিও জানতে পারে। পরে পুলিশ হাবিবুলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি শ্বশুরকে ফাঁসাতে মাদক রাখার কথা স্বীকার করেন।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, হাবিবুল নিয়মিত মাদক সেবন করেন। এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তাঁর ঝামেলা চলছিল। স্বামীকে মাদক থেকে ফেরাতে স্ত্রী তালাকের নোটিশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাবিবুল শ্বশুরবাড়িতে মাদক রেখে মিথ্যা গল্প সাজান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *