Skip to content
Home » Blog » এমবাপ্পের মধ্যে নিজেকে দেখেন রোনালদো

এমবাপ্পের মধ্যে নিজেকে দেখেন রোনালদো

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত গতিতে ছুটে চলেছে ফ্রান্স। আর ফরাসিদের এই জয়যাত্রায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা কিলিয়ান এমবাপ্পের। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি সুপারস্টারকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার ও ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।

এই বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচেই ৪টি গোল করার পাশাপাশি ২টি অ্যাসিস্ট করেছেন এমবাপ্পে। আর তাতেই মুগ্ধ ‘দ্য ফেনোমেনন’।

অনেক দিন ধরেই লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দ্বৈত রাজত্বের যোগ্য উত্তরসূরি মনে করা হচ্ছে এমবাপ্পেকে। তবে ব্রাজিলের ‘আসল’ রোনালদো এবার এই ফরাসি ফরোয়ার্ডের মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন নিজের ছায়াও।

সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে এবারের বিশ্বকাপে নিজের খাতা খোলেন এমবাপ্পে। পরের ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষেও সেই একই কীর্তির পুনরাবৃত্তি করে করেন আরও দুই গোল।

নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে নিজে জালের দেখা না পেলেও ফরাসিদের আক্রমণে মূল ভূমিকা ছিল তাঁরই। সেই ম্যাচে সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন দুটি গোল। তাঁর এমন পারফরম্যান্সের পর ফরাসিদের আক্রমণভাগের গভীরতা ভয় ধরিয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষদের।

ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে

দিদিয়ের দেশমের আক্রমণভাগের মূল অস্ত্র হয়ে ওঠা এই স্ট্রাইকারের শারীরিক ও টেকনিক্যাল দক্ষতার প্রশংসা করতে গিয়ে উচ্ছ্বসিত ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদো। বলেন, এমবাপ্পে তাঁকে নিজের সেরা সময়ের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছেন।

আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন বল জেতার লড়াইয়ে এবারও সমানে সমান লড়ছেন এমবাপ্পে।

এই দুই মহাতারকার খেলা দেখে মুগ্ধ রোনালদো ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে‘কিপ-কে বলেন, ‘আপনাকে এটাও ভাবতে হবে যে আপনি পেছনে কী কীর্তি রেখে যাচ্ছেন। তবে কোনো সন্দেহ ছাড়াই এরা দুজনেই এমন খেলোয়াড়, যারা পরিসংখ্যানের ঊর্ধ্বে।’

মেসির প্রশংসা করে রোনালদো আরও বলেন, ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মেসি। সে আজও সমান প্রভাবশালী এবং ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেওয়া খেলোয়াড়।

এরপর এমবাপ্পেকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি বলেন, ‘আর এমবাপ্পের কথা যদি বলি, ওর খেলার ধরন আমাকে আমার সেরা সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার সে এবং এই খেলার কিংবদন্তিদের একদম যোগ্য উত্তরসূরি।’

লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার এই বিশ্বকাপে শুধু এমবাপ্পে একাই নন, আলো ছড়াচ্ছেন তাঁর ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের অন্য সতীর্থরাও। চলতি বিশ্বকাপে গোল করার তালিকায় ক্লাব হিসেবে সবার ওপরে আছে স্প্যানিশ পরাশক্তিরা।

রিয়ালের খেলোয়াড়েরা এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে যৌথভাবে ১১টি গোল করেছেন, যার বড় অংশই এসেছে এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পা থেকে। দুজনেই এখন পর্যন্ত করেছেন চারটি করে গোল।

বার্নাব্যুর অন্য প্রতিনিধিদের মধ্যে ইংল্যান্ডের হয়ে জুড বেলিংহাম করেছেন দুটি গোল। আর তুরস্কের হয়ে জালের দেখা পেয়েছেন আরদা গুলের। রিয়াল তারকাদের এমন গোলবন্যা ক্লাবটিকে এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়েরা মিলে করেছিলেন ১২টি গোল। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ার খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে লস ব্লাঙ্কোরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *